ধৈর্য হউক ভালোবাসার প্রতিটি সাদা পৃষ্ঠায়‌।

কাছের মানুষকে একটা পর্যায় পর আর বুঝে উঠতে পারছেন না। খুব চেনা মানুষটাকে হঠাৎ হঠাৎ খুব অচেনা মনে হয়। কেন জানেন ?
আমরা শুধু মানুষটার সচেতন মনটাকেই জানতে চাই ; অবচেতন মন কে না। 
এখানেই আমরা সব থেকে বড় ভুলটা করে ফেলি।
ফ্রয়েড তত্বে আছে, আপনি সচেতন ভাবে যা করছেন তাও আপনাকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে অবচেতন মন।

অবচেতন মন আদর চায়। আশ্রয় চায়। আকাশ কুসুম স্বপ্নে নিজেকে কখনো রানী এলিজাবেথ কখনো বিল গেটস কখনো রুপালী পর্দার তারকা বানিয়ে ফেলে।

পকেটে দশ টাকা নিয়ে বেকার যুবক বসে থাকে হেলিকাপ্টারে। মাজার গেটের ভিক্ষুক ঝিম মেরে চা খায় ওয়াইট হাউসে। কড়া লিকারের চা ভুলিয়ে দেয় কড়া রোদের কথা। 

কষ্ট পেয়ে আনন্দ পাবার রোগটাও এখান থেকে আসা। আকাশ কুসুম চিন্তা করা এই মনটা বাস্তববাদী না। একারণেই মানুষের একটা মন সব সময় কষ্ট পেতে ভালোবাসে। দুখী দুখী মন নিয়ে চুপচাপ থাকতে পছন্দ করে।
সে বড় অভিমানি। কেউ চলে গেলে তাকে ফেরাবে না। একা একা কষ্ট পাবে। না খেয়ে থাকবে। তার না খাবার সংবাদ শুনে সে কষ্ট পাবে। এতে এক ধরনের আনন্দ আছে।
সে হাত কাটবে। প্রিয় জিনিস ছুঁড়ে ফেলে দিবে। বিসর্জন হল। বিসর্জনে এক ধরনের আনন্দ আছে। আপনি তাকে কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করলে সে হাসি দিয়ে বলবে ভাল আছি। সে বুঝতে দেবে না , সে ভাল নেই। কষ্ট প্রকাশ করলে কষ্ট কমতে শুরু করে। সে কমতে দেবে না। 
এতেও এক ধরনের তৃপ্ততা আছে।
কেউ কেউ দেখবেন রাগ করে দু দিন কিছু খায় নি , নিজেকে নষ্ট করে ফেলছে নেশার আসরে , ঘুমের ওষুধ খেয়ে পড়ে আছে ফ্লোরে। এদের তাচ্ছিল্য করবেন না।
মানুষটার সচেতন মনটাকে না ; হাত বুলিয়ে দিন অবচেতন মনে। একটু আশ্রয় দিন। আদর করুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url