স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মিডওয়াইফ নিয়োগ লিখিত পরীক্ষা-২০২৫ সম্পুর্ন সমাধান
মোবাইল ফোন
আধুনিক যুগকে বলা হয় তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, ব্যবসা, বিনোদন-সবকিছুই প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে। প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় উপহারগুলোর একটি হলো মোবাইল ফোন। এটি এমন একটি যন্ত্র যা মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যোগাযোগের সুযোগ করে দিয়েছে। আজকের পৃথিবীতে এমন মানুষ পাওয়া কঠিন যিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। এটি এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।
মোবাইল ফোনের ধারণা প্রথম আসে ২০শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। ১৯৭৩ সালে মার্কিন প্রকৌশলী মার্টিন কুপার (Martin Cooper) প্রথম বেতার ফোনে সফলভাবে কথা বলেন, যা মোবাইল ফোন যুগের সূচনা করে। প্রথমদিকে এটি ছিল অনেক বড় ও ভারী, এবং শুধু ধনী ও ব্যবসায়ী শ্রেণির লোকজনই ব্যবহার করতেন। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির ফলে মোবাইল ফোন এখন ছোট, আকর্ষণীয় এবং সবার নাগালের মধ্যে চলে এসেছে।
মোবাইল ফোনের প্রধান কাজ হলো কথা বলা ও মেসেজ পাঠানো। কিন্তু বর্তমানে এর ব্যবহার শুধু যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্মার্টফোনের আবির্ভাবে মোবাইল ফোন এখন এক প্রকার মিনি কম্পিউটার। নিচে মোবাইল ফোনের কিছু প্রধান ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
- যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে: পৃথিবীর যেকোনো স্থানে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা যায়। ভিডিও কল, ভয়েস কল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ সহজ হয়েছে।
- শিক্ষাক্ষেত্রে: শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করতে পারে, গুগলে তথ্য খুঁজে শিখতে পারে, এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক অ্যাপ ব্যবহার করে নিজেদের জ্ঞান বাড়াতে পারে।
- ব্যবসা ও চাকরিতে: ব্যাংকিং, অনলাইন লেনদেন, মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ), ই-মেইল বা জুম মিটিং-সবকিছু এখন মোবাইলের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়।
- বিনোদনে: গান শোনা, সিনেমা দেখা, গেম খেলা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সবই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সহজ হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায়: স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অ্যাপ, জরুরি যোগাযোগ, অ্যাম্বুলেন্স ডাকা, অবস্থান ট্র্যাক করা-এসব কাজেও মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মোবাইল ফোন মানুষের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন এনেছে। এর কিছু প্রধান উপকারিতা নিচে উল্লেখ করা হলো-
- সময় ও শ্রম সাশ্রয়: মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ দ্রুত হয়, ফলে সময় ও শ্রম দুইই বাঁচে।
- শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রসার: ইন্টারনেটের সাহায্যে যেকোনো তথ্য সহজে পাওয়া যায়, যা শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: ভূমিকম্প, বন্যা বা দুর্ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা যায়, যা জীবন রক্ষা করতে সহায়তা করে।
- অর্থনৈতিক উন্নয়ন: মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন ব্যবসার কারণে অর্থনৈতিক লেনদেন সহজ হয়েছে।
- সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা: দূরে থাকা বন্ধু, আত্মীয়স্বজনের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা সহজ হয়েছে।
যদিও মোবাইল ফোনের অনেক উপকারিতা আছে, এর কিছু অপব্যবহার ও ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।
- স্বাস্থ্যগত ক্ষতি: দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার চোখের ক্ষতি, মাথাব্যথা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদি সৃষ্টি করে।
- মনোযোগ বিভ্রাট: শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পরিবর্তে গেমস, ভিডিও বা সামাজিক মাধ্যমে বেশি সময় ব্যয় করে, যা তাদের একাগ্রতা নষ্ট করে।
- অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড: অনেকেই মোবাইল ব্যবহার করে প্রতারণা, সাইবার ক্রাইম, ব্ল্যাকমেইলিং ইত্যাদি করে।
- পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হওয়া: অনেকে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক ভুলে ভার্চুয়াল জগতে ডুবে থাকে, যা পারিবারিক সম্পর্ক দুর্বল করে।
- মোবাইল আসক্তি: অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও একাকিত্ব বাড়ায়।
মোবাইল ফোনের অপব্যবহার ও আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
- ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করা: প্রতিদিন নিদিষ্ট সময় পরিমাণে মোবাইল ব্যবহার করা উচিত।
- অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও গেম মুছে ফেলা: সময় নষ্টকারী অ্যাপ বাদ দিতে হবে।
- অফলাইন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ: খেলাধুলা, বই পড়া বা পরিবার-বন্ধুর সাথে সময় কাটানো।
- নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা: মনোযোগ বাড়াতে সামাজিক মাধ্যমের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যেতে পারে।
- ডিজিটাল ডিটক্স পালন: নির্দিষ্ট দিন বা সময় মোবাইল ছাড়া থাকা।
বাংলাদেশে মোবাইল ফোন আজ জাতীয় উন্নয়নের একটি বড় অংশ। ১৯৯৭ সালে প্রথম মোবাইল ফোন চালু হওয়ার পর থেকে বর্তমানে প্রায় ১৮ কোটি মোবাইল সংযোগ সক্রিয় রয়েছে।
- গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক- এই চারটি প্রধান মোবাইল অপারেটর দেশের প্রতিটি প্রান্তে সেবা দিচ্ছে।
- মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট) গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব এনেছে।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার জনগণের জীবনমান উন্নত করছে।
মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি এখন অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের একটি হাতিয়ার। অনলাইন মার্কেটপ্লেস, ই-কমার্স, ফ্রিল্যান্সিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। নারীদের ক্ষমতায়নেও মোবাইল ফোন বড় ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তারা মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন বিক্রয়ের মাধ্যমে আয় করছেন।
সবকিছুরই যেমন ভালো দিক আছে, তেমনি কিছু খারাপ দিকও থাকে। মোবাইল ফোনের সঠিক ব্যবহার আমাদের জীবনকে সহজ, সুন্দর ও উন্নত করতে পারে আর অপব্যবহার আমাদের জীবন ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই মোবাইল ফোন ব্যবহারে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে হবে কল্যাণের জন্য, বিনাশের জন্য নয়। আমরা যদি মোবাইল ফোনকে সঠিকভাবে ব্যবহার করি, তবে এটি হতে পারে আমাদের উন্নয়ন, শিক্ষা ও অগ্রগতির অন্যতম হাতিয়ার।
মাথা উঁচু রাখিস।
সুখের সাথী মুখের পানে যদি নাহি চাহে,
ধৈর্য ধরে থাকিস।
রুদ্ররূপে তীব্র দুঃখ যদি আসে নেমে,
বুক ফুলিয়ে দাঁড়াস,
আকাশ যদি বজ্র নিয়ে মাথায় পড়ে ভেঙ্গে
উর্ধ্বে দুহাত বাড়াস। - জীবনানন্দ দাশ
সারমর্ম: জীবনের চলার পথে দুরবস্থা ও বিপর্যয়ে মানুষের ধৈর্য হারানো উচিত নয়। প্রতিকূলতাকে সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে প্রতিহত করাই মানুষের একান্ত করণীয়।
বরাবর
অফিস প্রধান
[অফিসের নাম]
[ঠিকানা]
বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার অফিসের একজন অফিস সহকারী হিসাবে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছি। ব্যক্তিগত জরুরি কাজে আমাকে দুই দিনের জন্য বাড়িতে যেতে হবে। তাই আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ২৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত মোট দুই (০২) দিনের casual leave (নৈমিত্তিক ছুটি) অনুমোদনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।
অতএব, মহোদয়ের সদয় বিবেচনায় আমার উক্ত ছুটি মঞ্জুর করার জন্য অনুরোধ করছি।
বিনীত,
নাম:
পদবী: অফিস সহকারী
তারিখ:
স্বাক্ষর:
(ক) Cut your coat according to your cloth.
অর্থ: আয় বুঝে ব্যয় করো।
(খ) Technology has changed the way we live.
অর্থ: প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপনের পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে।
(গ) Access to internet has become a basic right.
অর্থ: ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ এখন মানুষের মৌলিক অধিকার হয়ে উঠেছে।
(ঘ) Excess of anything is bad.
অর্থ: অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়।
(ঙ) Live for today, think for tomorrow.
অর্থ: আজকের দিনকে উপভোগ করো, কিন্তু ভবিষ্যতের কথাও চিন্তা করো।
(ক) 'সুন্দর' शब्दটির দুইটি প্রতিশব্দ লিখুন।
উত্তরঃ মনোরম, মনোহর, সুদৃশ্য ইত্যাদি।
(খ) বাক্য সংকোচন করুন: হনন করার ইচ্ছা।
উত্তরঃ জিঘাংসা
(গ) 'অপ' শব্দটি উপসর্গ হিসাবে ব্যবহার করে তিনটি শব্দ তৈরি করুন।
উত্তরঃ অপকার, অপমান, অপবিত্র
(ঘ) কারক কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। কারক ৬ প্রকার- ১. কর্তৃকারক ২. কর্ম কারক ৩. করণ কারক ৪. সম্প্রদান কারক ৫. অপাদান কারক ৬. অধিকরণ কারক
(ঙ) দুইটি সমাসবদ্ধ শব্দ লিখুন।
উত্তরঃ সমাসবদ্ধ দুটি শব্দ হলো ১. দিনরাত্রি: দিন ও রাত্রি। ২. সিংহাসন: সিংহ চিহ্নিত আসন।
নিচে পাঁচটি বাগধারা ব্যবহার করে পাঁচটি বাক্য দেওয়া হলো-
- আলালের ঘরের দুলাল (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)- রোদ-বাতাস সইতে পারে না, পরিশ্রম করতে পারে না এমন আলালের ঘরের দুলালের হাতে আমার ব্যবসার কাজকর্ম ছেড়ে দিতে পারি না।
- আষাঢ়ে গল্প (অসম্ভব কাহিনী)- তুমি খালি হাতে বাঘ মেরেছ-এটা আষাঢ়ে গল্প ছাড়া কিছুই নয়।
- ইঁচড়ে পাকা (অকালপক্ব)- ও ইঁচড়ে পাকা ছেলে- না হলে বাবা-মায়ের সঙ্গে এরকম তর্ক করে?
- ইতর বিশেষ (পার্থক্য)- ছেলে-মেয়ের মধ্যে ইতর বিশেষ না করে দুজনেরই লেখাপড়ার সমান সুযোগ দাও।
- উত্তম মধ্যম (প্রহার)- পুলিশে দিয়ে কি হবে, চোরটিকে উত্তম মধ্যম দিয়ে গাঁ থেকে বের করে দাও।
- এক চোখা (পক্ষপাতিত্ব)- গাঁয়ের মোড়ল একচোখা, তার কাছে সুবিচার পাবে কি করে?
- এলাহি কাণ্ড (বিরাট' আয়োজন)- ছেলের জন্মদিনে এতবড় আয়োজন এ যে এক এলাহি কান্ড।
In the modern world, mobile phones and social media have become an inseparable (অবিচ্ছেদ্য) part of our daily lives. They connect people across the globe, making communication (যোগাযোগ) faster and easier than ever before. However, along with their advantages (সুবিধা), they also bring several disadvantages (অসুবিধা) that affect individuals and society.
Social media refers to digital platforms (ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম) and applications that allow people to create, share, and exchange (আদান-প্রদান করা) information, ideas, and content. Examples include Facebook, Instagram, WhatsApp, YouTube, and Tik Tok. These platforms are accessible (সহজে প্রাপ্তযোগ্য) through mobile phones, which make social media use more frequent (ঘন ঘন) and convenient (সহজসাধ্য).
People use social media for various purposes (উদ্দেশ্য) such as communication, education, entertainment (বিনোদন), business, and information sharing. Students and professionals use it to learn new skills, while others use it to stay in touch with friends and family. It has also become a tool for marketing (বাজারজাতকরণ), online health campaigns, and awareness (সচেতনতা) programs.
There are many advantages of using mobile phones and social media. They help people stay connected (সংযুক্ত থাকা) anytime and anywhere. Social media spreads information quickly, promotes online education, and supports emergency (জরুরি) communication. For nurses and health workers, social media can be used to share health tips, promote public awareness, and learn from global medical communities (চিকিৎসা সমাজ).
Excessive (অতিরিক্ত) use of social media can negatively (নেতিবাচকভাবে) affect mental health (মানসিক স্বাস্থ্য). Many people suffer from stress (চাপ), anxiety (উদ্বেগ), and low self-esteem (আত্মসম্মানবোধের অভাব) due to comparing their lives with others online. Addiction (নেশা) to mobile phones can reduce concentration (একাগ্রতা) and disturb sleep patterns. Teenagers and young adults are especially vulnerable (অতিমাত্রায় সংবেদনশীল) to these effects.
While social media connects people virtually (ভার্চুয়ালি), it sometimes weakens (দুর্বল করে) real-life relationships (বাস্তব সম্পর্ক). Family members spend less time talking face to face. People often become isolated (একাকী), preferring virtual friends over real ones. Moreover, continuous (অবিরাম) phone use during work or study reduces productivity (উৎপাদনশীলতা) and discipline (শৃঙ্খলা).
Another major problem of social media is the spread of fake news (ভুয়া খবর) and rumors (গুজব). False (ভুল) information can create panic (আতঙ্ক), social unrest (অশান্তি), or harm someone's reputation (সুনাম). During health emergencies, wrong messages on social media can mislead (বিভ্রান্ত করা) the public and cause serious consequences (গুরুতর পরিণতি).
To use social media wisely (বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে), users should limit their screen time and verify (যাচাই করা) information before sharing it. Parents and teachers should guide young people about responsible online behavior (দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণ). Government and organizations can create awareness about digital literacy (ডিজিটাল জ্ঞান) and introduce laws (আইন প্রবর্তন) against spreading fake news.
Mobile phones and social media are powerful tools (শক্তিশালী উপকরণ) in the modern age. When used wisely, they offer countless (অসংখ্য) benefits in communication, learning, and awareness. But when used excessively or carelessly, they can harm (ক্ষতি করা) mental health, relationships, and society. Therefore, balance (সমতা) and responsibility (দায়িত্ব) are the keys to making social media a blessing (আশীর্বাদ) rather than a curse (অভিশাপ).
The Mayor
Dhaka South City Corporation
Dhaka-1205.
Subject: Prayer for taking necessary steps to reduce traffic jam in our locality.
Dear Sir,
We, the inhabitants of Mitford Hospital and the surrounding area, would like to draw your kind attention to the unbearable traffic jam that has become a serious problem in our locality. Traffic congestion causes immense suffering to the people every day. Office-goers, students, and especially patients face terrible delays while traveling through this area.
The main causes of this traffic jam are narrow roads, unauthorized parking, and the presence of street vendors occupying both sides of the road. Moreover, the tendency of some drivers to violate traffic rules has made the situation even worse. During office hours and school time, the roads remain completely blocked. What is more alarming is that seriously ill patients on their way to Sir Salimullah Medical College & Mitford Hospital often face huge difficulties due to this congestion, and tragically, some have even lost their lives before reaching the hospital.
We, therefore, earnestly request you to take immediate and effective steps to reduce this problem. The removal of illegal parking, widening of roads, and strict monitoring of traffic movement by police can help ensure smoother transport. Public awareness campaigns about traffic rules and discipline should also be launched to control this situation.
In these circumstances, we hope that your honor would be kind enough to take necessary steps to reduce the traffic jam in our locality and oblige thereby.
Yours faithfully,
Guardian Nursing Coaching
On behalf of the residents of locality.
1. There is a saying that hard work is key to success.
Answer: There is a saying that hard work is the key to success.
ব্যাখ্যাঃ এখানে "key to success" একটি নির্দিষ্ট ধারণা বোঝাচ্ছে, তাই definite article "the" ব্যবহার করতে হবে
2. People all walks of life use flowers usually on occasion.
Answer: People from all walks of life use flowers usually on occasion.
ব্যাখ্যাঃ "from all walks of life" মানে "সব শ্রেণীর মানুষ"। "on occasion" মানে "বিশেষ ক্ষেত্রে বা সময়ে"।
3. Make a sentence with the phrase "White elephant".
Answer: The old building is a white elephant for the company.
ব্যাখ্যাঃ "White elephant" মানে এমন কিছু যা রক্ষণাবেক্ষণে খরচবহুল কিন্তু কোন লাভ নেই। বাংলা অর্থ: "অপচয় বা ক্ষতির কারণ"।
4. The Chinese put a lot of emphasis on unity. (Make passive)
Answer: A lot of emphasis is put on unity by the Chinese.
ব্যাখ্যাঃ
• Object (a lot of emphasis) → Passive voice-এর Subject হয়েছে।
• Verb put (Present Tense) → Passive form is put (am/is/are+V3)
• Subject The Chinese Agent হয়েছে by the Chinese
5. This is ___ unique case. (Fill in the blank with an article)
Answer: This is a unique case.
ব্যাখ্যাঃ যদি কোনো শব্দের শুরুতে u, eu, বা ew থাকে এবং তার উচ্চারণ যদি "ইউ" (iu:)-এর মতো, তবে তার আগে 'a' বসে। কিন্তু যদি উচ্চারণ "আ" (A)-এর মতো, তবে তার আগে 'an' বসে।
6. It is high time ___ (Make a meaningful sentence with the phrase).
Answer: It is high time we started our preparation for the exam.
ব্যাখ্যাঃ "It is high time" এর পর verb এর past form, কিন্তু অর্থ হয় এখনই সময়.. করার। বাংলা অর্থ: এখন আমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়।
7. When helping in the kitchen, I am alwazs careful not to hurt ___ (Fill in the blank with a suitable word).
Answer: When helping in the kitchen, I am alwazs careful not to hurt myself.
ব্যাখ্যাঃ এখানে subject "I", তাই reflexive pronoun myself ব্যবহার হবে।
8. He says, "I am ill". (Make it indirect).
Answer: He says that he is ill.
ব্যাখ্যাঃ Reporting verb "says" present tense, তাই tense পরিবর্তন হবে না। শুধু quotation তুলে দিয়ে that বসানো হয়েছে।
9. She said that she had completed the task. (Make it direct).
Answer: She said, "I had completed the task."
ব্যাখ্যাঃ Reported speech থেকে direct করার সময় pronoun "she" → "I" এবং tense অপরিবর্তিত রেখে quotation চিহ্ন যোগ করা হয়।
10. The poem is too difficult for the students ___ . (Fill in the blank with suitable words).
Answer: The poem is too difficult for the students to understand.
ব্যাখ্যাঃ Structure: too + adjective + to + verb
বাংলা অর্থ: কবিতাটি শিক্ষার্থীদের বোঝার জন্য খুবই কঠিন।
1. Give a suitable title to this passage.
Ans: Education and Economic Development
2. How and why education is related to the industrial development of a country?
Ans: Education provides skilled and trained manpower required for industries. A well-educated workforce can handle complex machines, improve productivity, and contribute directly to industrial and economic growth.
3. Why technical education is more important than general education in a country like Bangladesh?
Ans: Technical education provides practical and job-oriented skills that help in industrial and technological progress. In a developing country like Bangladesh, technical education creates employment opportunities and supports economic self-reliance.
4. Do you think that the present system of education in Bangladesh is suitable for economic development and why?
Ans: The present education system in Bangladesh still focuses more on theoretical learning than practical skills. To promote economic development, the system must include more technical, vocational, and skill-based education aligned with industrial demands.
5. Why do you think industry needs a workforce that is literate and technically equipped?
Ans: Industries need literate and technically skilled workers to operate modern machinery efficiently, maintain production quality, and adapt to new technologies. A skilled workforce ensures higher productivity and economic progress.
ক. বাংলাদেশ বিষয়াবলি
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিস্থাপন নয়, বরং সংশোধন প্রয়োজন। কারণ সংবিধান একটি রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি ও কাঠামো নির্ধারণ করে; একে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করলে রাষ্ট্রের ভিত্তি নড়ে যেতে পারে। তবে সময়, সমাজ ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে কিছু ধারায় সংশোধন প্রয়োজন।
সংশোধনের পক্ষে ৪টি যুক্তি নিচে দেওয়া হলো:
- সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা: সংবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭২ সালে। এরপর দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত বাস্তবতা অনেক বদলেছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে কিছু ধারা সংশোধন করা প্রয়োজন, যাতে সংবিধান সময়োপযোগী থাকে।
- গণতন্ত্রের চর্চা শক্তিশালী করা: কিছু ধারায় রাজনৈতিক দলগুলোর একচেটিয়া ক্ষমতা বা নির্বাচন কমিশনের দুর্বলতা লক্ষ্য করা যায়। এসব সংশোধনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব।
- মানবাধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষা: বর্তমান সংবিধানে কিছু বিষয়ে মানবাধিকারের বাস্তব প্রয়োগ বাধাগ্রস্ত হয় (যেমন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বা সংখ্যালঘু অধিকার)। এসব ধারা সংশোধন করে নাগরিক অধিকারকে আরও সুরক্ষিত করা যেতে পারে।
- সংবিধানের ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্য বজায় রাখা: সম্পূর্ণ পরিবর্তনের পরিবর্তে সংশোধন করলে সংবিধানের মূল দর্শন-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-অক্ষুণ্ণ থাকবে। এতে রাষ্ট্রের ঐতিহ্য ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
উত্তর: শিক্ষা একটি জাতির মেরুদন্ড। একটি দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন মূলত নির্ভর করে শিক্ষার মানের উপর। বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক সম্প্রসারণ হলেও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনা করলে এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করা গেলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব। শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার প্রধান ৪টি প্রতিবন্ধকতা ও তার বাস্তবসম্মত সমাধান:
- দক্ষ শিক্ষক সংকট ও প্রশিক্ষণের অভাব: শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা ও মেধাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও ডিজিটাল টিচিং পদ্ধতি চালু করা।
- পুরনো ও অপ্রাসঙ্গিক পাঠ্যক্রম: যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক (skill-based) ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন ও নিয়মিত আপডেট করা।
- প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার: প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট ও স্মার্ট ক্লাসরুম সুবিধা চালু করে শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
- অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও শিক্ষার অনুপযোগী পরিবেশ: গ্রামীণ ও নগরাঞ্চলে সমানভাবে মানসম্পন্ন অবকাঠামো তৈরি করা এবং শিক্ষার্থী-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- গবেষণার অভাব ও তহবিল সংকট: শিক্ষা ও গবেষণায় সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণামুখী পরিবেশ গড়ে তোলা।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রধান যোগ্যতা ও গুণাবলি নিম্নরূপঃ
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হওয়া আবশ্যক।
- অভিজ্ঞতা: নির্বাচনী প্রক্রিয়া, প্রশাসন বা সামাজিক কার্যক্রমে অভিজ্ঞতা থাকা ভালো।
- নিরপেক্ষতা: কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা।
- প্রশিক্ষণ: নির্বাচন কমিশন বা অনুমোদিত সংস্থার পর্যবেক্ষণ সম্পর্কিত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হওয়া।
- পরিচয় ও নিবন্ধন: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের (যেমন নির্বাচন কমিশন বা NGO) অনুমোদিত তালিকাভুক্ত পর্যবেক্ষক হওয়া।
- সততাঃ পর্যবেক্ষকের কাজের মূল ভিত্তি হলো সততা। তিনি যেন কোনো ধরনের ঘুষ, প্রলোভন বা রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করেন। সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকা জরুরি।
- নিরপেক্ষতাঃ কোনো দল, প্রার্থী বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাত না দেখিয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। সবার প্রতি সমান আচরণ করা নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অন্যতম গুণ। এতে তার প্রতিবেদন বিশ্বাসযোগ্য হয়।
- দায়িত্বশীলতাঃ যে দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে তা সময়মতো, সঠিকভাবে ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা করলে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মান ক্ষুন্ন হতে পারে।
- সাহস ও আত্মবিশ্বাসঃ ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম বা জালিয়াতি দেখতে পেলে ভয় না পেয়ে তা সঠিকভাবে রিপোর্ট করার সাহস ও আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে।
- পর্যবেক্ষণ দক্ষতাঃ ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র বিষয়ও নজরে রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফলাফল ঘোষণার প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে জানতে হবে।
- যোগাযোগ দক্ষতাঃ ভোটার, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের সঙ্গে শালীন ও স্পষ্টভাবে যোগাযোগ করতে পারা জরুরি। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং তথ্য সংগ্রহ সহজ হয়।
- নৈতিকতা ও গোপনীয়তাঃ নির্বাচনী তথ্য গোপন রাখা ও কারও ক্ষতি হতে পারে এমন তথ্য প্রকাশ না করা উচিত। নৈতিক আচরণ পর্যবেক্ষকের মর্যাদা বৃদ্ধি করে।
- ধৈর্য ও সহনশীলতাঃ নির্বাচনের সময় ভিড়, গরম, বিশৃঙ্খলা ইত্যাদি পরিস্থিতি সামলাতে ধৈর্য জরুরি। ভিন্নমত বা সমালোচনা সহ্য করার মানসিক শক্তিও থাকা প্রয়োজন।
- দলগত কাজের মনোভাবঃ একাধিক পর্যবেক্ষক একসঙ্গে কাজ করেন, তাই সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকা আবশ্যক। সমন্বয় ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম সফল হয় না।
- Headerসময়ানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলাঃ নিদিষ্ট সময় মেনে দায়িত্ব পালন করা এবং নিয়ম-কানুন মেনে চলা একজন পর্যবেক্ষককে পেশাদার করে তোলে।
১. নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারঃ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন গণতন্ত্রের মূলভিত্তি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকে প্রায়ই।
সংস্কার প্রস্তাব:
• নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে করা।
• নির্বাচনে প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা।
২. রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাঃ অনেক রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব পরিবারকেন্দ্রিক, ফলে তৃণমূলের মতামত ও যোগ্য নেতৃত্ব উপেক্ষিত হয়।
সংস্কার প্রস্তাব:
• দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নিয়মিত নির্বাচন বাধ্যতামূলক করা।
• সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়া চালু করা।
৩. দুর্নীতি দমন ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধিঃ দুর্নীতি রাজনৈতিক কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বাধা।
সংস্কার প্রস্তাব:
• দুদককে পূর্ণ স্বাধীনতা ও ক্ষমতা প্রদান করা।
• সরকারি কর্মকর্তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
৪. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিঃ ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র টেকসই হয় না। বর্তমানে বিচার ব্যবস্থায় রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘসূত্রিতা বিদ্যমান।
সংস্কার প্রস্তাব:
• বিচারপতি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা।
• মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন করা।
৫. স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণঃ স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার অপরিহার্য।
সংস্কার প্রস্তাব:
• স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা।
• স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রভাব কমানো ও জনগণের সরাসরি জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা।
উত্তর:
সুশাসনের সংজ্ঞা (Good Governance)
World Bank (বিশ্বব্যাংক, ১৯৯২): সুশাসন হলো সেই প্রক্রিয়া ও কাঠামো, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র, সরকার, সংস্থা ও জনগণ তাদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক সরকার পরিচালনা করে। মূল দিক: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দক্ষতা, অংশগ্রহণ, ন্যায়পরায়ণতা。
UNDP (United Nations Development Programme): সুশাসন হলো নীতি নির্ধারণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সরকার ও অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
সাধারণভাবে বলা যায়: সুশাসন হল এমন একটি শাসন প্রক্রিয়া যা দক্ষ, স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায়সংগত।
১. দুর্নীতিঃ সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতি জনগণ ও ব্যবসার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সমাধান: কঠোর আইন ও বিচার ব্যবস্থা কার্যকর করা। সরকারি সেবায় ই-গভর্নেন্স প্রবর্তন। নাগরিক অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি।
২. দক্ষতা ও কার্যকারিতার অভাবঃ নীতি প্রয়োগে দেরি, অতিরিক্ত কাগজপত্র, ও প্রশাসনিক জটিলতা।
সমাধান: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার (ই-গভর্নেন্স)। প্রশিক্ষণ ও দক্ষ কর্মী নিযোগ। কর্মপরিবেশ ও মান নিয়ন্ত্রণ।
৩. রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাজনীতি ভিত্তিক পদচ্যুতির সংস্কৃতিঃ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার রাজনীতির কারণে নীতি প্রয়োগে ব্যাঘাত।
সমাধান: রাজনৈতিক সংলাপ ও সংহতি। নির্বাচনী সংস্কার ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা।
খ. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ধিত কর (Tariff) বা ট্রেড ওয়ারের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে নিম্নোক্ত কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। যেমনঃ
১. বাণিজ্য বৈচিত্র্য (Export Diversification)
• একাধিক দেশে রপ্তানি বাজার সৃষ্টি করা।
• নির্ভরতা শুধু মার্কিন বাজারের উপর না রেখে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার নতুন বাজারে পণ্য পাঠানো।
২. উচ্চমান ও ব্র্যান্ডিং
• আন্তর্জাতিক মান অনুসারে পণ্যের মান উন্নয়ন করা।
• ব্র্যান্ড ও মানের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে মার্কেট প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা।
৩. স্থানীয় উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়ন
• কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বাড়ানো।
• আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো।
৪. বাণিজ্য চুক্তি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ
• অন্যান্য দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য দ্বিপাক্ষিক বা আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি করা।
• মার্কিন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নীতি গ্রহণ।
৫. সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনা
• রপ্তানি খাতের জন্য কর সুবিধা, ঋণ, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি সহায়তা।
• ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পের জন্য আংশিক সুরক্ষা ব্যবস্থা।
GSP+ (Generalized System of Preferences Plus) হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেওয়া একটি বাণিজ্য সুবিধা, যার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের নির্দিষ্ট পণ্য শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানি করতে পারে। এটি মূলত সেই দেশগুলোকে দেওয়া হয় যারা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ২৭টি মানবাধিকার, শ্রম অধিকার, পরিবেশ ও সুশাসন সম্পর্কিত কনভেনশন মেনে চলে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে GSP + সুবিধা প্রাপ্তির প্রধান ৪টি বিষয়:
- LDC (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণঃ পরবর্তী সময়েও ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানি সুবিধা ধরে রাখতে বাংলাদেশকে GSP + সুবিধা অর্জন করতে হবে।
- মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকার রক্ষা: বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশনগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
- সুশাসন ও দুর্নীতি দমন: প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
- পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষা: পরিবেশবান্ধব শিল্প ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
- আইনি ও নীতিগত সংস্কার: আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যবসায়িক আস্থা বজায় রাখতে হবে।
- সীমান্ত বিরোধ: চীন, পাকিস্তান ও নেপালের সাথে সীমান্ত রেখা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে।
- পানি বণ্টন সমস্যা: গঙ্গা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রসহ আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও নেপালসহ অনেক দেশ অসন্তুষ্ট।
- অর্থনৈতিক আধিপত্য: ভারত তার প্রতিবেশীদের উপর বাণিজ্য ও রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে চায়। এতে অনেক দেশ নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে।
- অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ: প্রতিবেশী দেশের রাজনীতিতে ভারতের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
- সীমান্ত হত্যা ও নিরাপত্তা ইস্যু: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সাথে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও নিরাপত্তা সমস্যা সম্পর্ককে নষ্ট করছে।
১. বাণিজ্য সুবিধা: ভারত বাংলাদেশের একটি প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। শুল্কহ্রাস ও সুবিধাজনক ট্যারিফ নীতির কারণে রপ্তানি পণ্য ভারতের বাজারে সহজে প্রবেশ করতে পারে।
২. ট্রানজিট ও লজিস্টিক সুবিধা: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য বাংলাদেশ হয়ে ট্রানজিট পাস ব্যবহারে রাজস্ব আসে। রেল ও সড়ক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসায়িক লেনদেন সহজ হয়।
৩. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা: ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ও যৌথ হাইড্রো-পাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ। জ্বালানি খাতে খরচ কমে, শিল্পে উৎপাদন বাড়ে।
৪. বিনিয়োগ ও শিল্প উন্নয়ন: ভারতীয় কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করছে। অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ও উৎপাদন খাতে উন্নয়ন হয়।
৫. প্রযুক্তি ও কৃষি সহায়তা: ভারত থেকে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কৃষি উদ্ভাবনে সহায়তা। নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জন করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।
উত্তর: D-8 (Developing-8) হলো একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গোষ্ঠী, যা মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য গঠিত। D-8 দেশগুলো: বাংলাদেশ, ইজিপ্ট, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া।
- বাণিজ্য সম্প্রসারণ: D-8 সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রপ্তানি-আমদানি বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, চামড়া পণ্য, হালকা শিল্প পণ্য।
- সাহায্য ও বিনিয়োগ: D-8 দেশগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ও প্রযুক্তি বিনিময় বৃদ্ধি পেতে পারে।
- শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন: শিক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানবসম্পদকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা সম্ভব।
- শক্তি ও জ্বালানি নিরাপত্তা: ইরান ও নাইজেরিয়া থেকে জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ আমদানি করে বাংলাদেশে শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
- পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়: D-8 দেশগুলোর নাগরিকদের বাংলাদেশে আগমন বেড়ে পর্যটন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
GOOGLE: Global Organization of Oriented Group Language of Earth
YAHOO: Yet Another Hierarchically Organized Oracle
পক্ষে যুক্তি:
১. সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করে এবং সাইবার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
২. প্রতিষ্ঠানের ডেটা সুরক্ষা বৃদ্ধি করে ও ক্ষতির ঝুঁকি কমায়।
পক্ষে:
১. চিকিৎসাবিজ্ঞানে অঙ্গ প্রতিস্থাপন ও গবেষণায় সহায়ক।
২. বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী সংরক্ষণে সহায়তা করতে পারে।
বিপক্ষে:
১. নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী।
২. জেনেটিক ত্রুটি ও অপ্রত্যাশিত ফলাফলের ঝুঁকি থাকে।
২. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলা: সময় অপচয়কারী অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ করা।
৩. অফলাইন শখ গড়ে তোলা: বই পড়া, ব্যায়াম বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো।
৪. নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা: নির্দিষ্ট সময়ে কাজের ব্যাঘাত না ঘটাতে নোটিফিকেশন অফ রাখা।
৫. ডিজিটাল ডিটক্স: নির্দিষ্ট সময় মোবাইল ছাড়া থাকা অভ্যাস করা।
২. ই-জুডিশিয়াল সিস্টেম চালু করা।
৩. পুলিশ ও তদন্ত সংস্থায় প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ বাড়ানো।
৪. সাইবার ফরেনসিক ল্যাব উন্নয়ন ও প্রসার ঘটানো।
Group - A
বাংলাদেশে EPI প্রোগ্রামের সূচনা:
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইংরেজিতে: Expanded Program on Immunization সংক্ষেপে EPI (ইপিআই) হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি যার লক্ষ্য সারা পৃথিবীর সকল শিশুকে এর কর্মসূচির অধীন নিয়ে আসা। যার প্রধান উদ্দেশ্য শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাস করা এবং টিকা প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া। বাংলাদেশে "ইপিআই" প্রোগ্রাম চালু হয়েছিল ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে।
EPI প্রোগ্রামে প্রদত্ত টিকা ও রোগের তালিকাঃ
বাংলাদেশের জাতীয় EPI সূচি অনুযায়ী বর্তমানে ১০টি রোগের জন্য শিশুদের ৬টি টিকা এবং ১৫-৪৯ বছর বয়সের মহিলাদের জন্য ১টি টিকাসহ মোট ৭টি টিকা দেয়া হয়।
| রোগের নাম | টিকার নাম | টিকার ডোজ | ডোজের সংখ্যা | ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি | টিকা দেয়ার সঠিক সময় | টিকাদানের স্থান | টিকার প্রয়োগ পথ |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| যক্ষ্মা | বিসিজি | ০.৫ এম এল | ১ | জন্মের পর থেকে | বাম বাহুর উপরের অংশে | চামড়ার মধ্যে | |
| ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জাবি- | পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব) | ০.৫ এম এল | ৩ | ৪ সপ্তাহ | ৬ সপ্তাহ, ১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ | বাম উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে | মাংসপেশী |
| নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া | পিসিভি টিকা | ০.৫ এম এল | ৩ | ৪ সপ্তাহ | ৬ সপ্তাহ, ১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ | ডান উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে | মাংসপেশী |
| পোলিওমাইলাইটিস | বিওপিভি | ২ ফোঁটা | ৩ | ৪ সপ্তাহ | ৬ সপ্তাহ, ১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ | মুখে | মুখে |
| পোলিওমাইলাইটিস | আইপিভি (ফ্রাকশনাল) | ০.১ এম এল | ২ | ৮ সপ্তাহ | ৬ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ | ডান বাহুর উপরের অংশে | চামড়ার মধ্যে |
| হাম ও রুবেলা | এমআর টিকা | ০.৫ এম এল | ২ | ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে | ডান উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে | চামড়ার নীচে |
| রোগের নাম | টিকার নাম | টিকার ডোজ | ডোজের সংখ্যা | টিকা শুরু করার সঠিক সময় | টিকাদানের স্থান | টিকার প্রয়োগ পথ |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ধনুষ্টংকার | টিটি (টিটেনাস টক্সয়েড) | ০.৫ এম এল | টিটি-১ | ১৫ বছর বয়স হলেই যথাশীঘ্র | বাহুর উপরের অংশে | মাংসপেশী |
| ধনুষ্টংকার | টিটি (টিটেনাস টক্সয়েড) | ০.৫ এম এল | টিটি-২ | টিটি-১ পাওয়ার কমপক্ষে ২৮ দিন পর | বাহুর উপরের অংশে | মাংসপেশী |
| ধনুষ্টংকার | টিটি (টিটেনাস টক্সয়েড) | ০.৫ এম এল | টিটি-৩ | টিটি-২ পাওয়ার কমপক্ষে ৬ মাস পর | বাহুর উপরের অংশে | মাংসপেশী |
| ধনুষ্টংকার | টিটি (টিটেনাস টক্সয়েড) | ০.৫ এম এল | টিটি-৪ | টিটি-৩ পাওয়ার কমপক্ষে ১ বৎসর পর | বাহুর উপরের অংশে | মাংসপেশী |
| ধনুষ্টংকার | টিটি (টিটেনাস টক্সয়েড) | ০.৫ এম এল | টিটি-৫ | টিটি-৩ পাওয়ার কমপক্ষে ৪ বৎসর পর | বাহুর উপরের অংশে | মাংসপেশী |
বিদ্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নারীদের জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকা ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইপিআই তে যুক্ত করা হয়েছে যা সেপ্টেম্বর-২০২৪ সাল থেকে ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদেরকে বাহুর উপরের মাংশপেশীতে ১ ডোজ টিকা দেয়া হয়। সুতরাং নতুন যুক্ত করা এইচপিভি টিকা সহ মোট ১১টি রোগের ৮টি টিকা দেয়া হয়।
Mid-Day Meal Program হলো স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন দুপুরে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করার একটি সরকারি উদ্যোগ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো- শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো এবং শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি করা।
| উদ্দেশ্য | বিস্তারিত বর্ণনা |
|---|---|
| ১. শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করা | স্কুলে পড়ুয়া শিশুদের প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও প্রোটিন সরবরাহের মাধ্যমে অপুষ্টি ও রক্তস্বল্পতা কমানো। |
| ২. স্কুলে উপস্থিতি বৃদ্ধি করা | মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের স্কুলে আসার আগ্রহ বাড়ানো এবং অনুপস্থিতি কমানো। |
| ৩. শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করা | পেট ভরে খাওয়ার পর শিশুরা মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে পারে, যার ফলে শেখার মান উন্নত হবে। |
| ৪. শিশুদের সামাজিক ঐক্য ও সমতা বৃদ্ধি করা | গরিব, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একই খাবার একসাথে খাওয়ার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন ও ঐক্য সৃষ্টি হয়। |
| ৫. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও রোগ প্রতিরোধ | নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে। |
শিশুদের ডায়রিয়া (Diarrhoea) একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসমস্যা। "No sign of dehydration" অর্থাৎ শিশুর দেহে এখনো পানিশূন্যতা শুরু হয়নি বা খুব সামান্য- তাই এই অবস্থায় লক্ষ্য থাকে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা।
| লক্ষণ/চিহ্ন | বর্ণনা |
|---|---|
| শিশু সচেতন ও স্বাভাবিক আচরণ করে | স্বাভাবিকভাবে খেলে, হাসে, কথা বলে, কান্না করে |
| চোখ স্বাভাবিক | চোখ ভেতরে ঢোকেনি |
| ত্বক টান দিলে স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে | ত্বক elasticity ভালো থাকে (skin pinch test normal) |
| মুখ ও জিহ্বা স্যাঁতসেঁতে | শুকিয়ে যায়নি |
| প্রস্রাব স্বাভাবিক | কমে যায়নি |
উপরে উল্লিখিত লক্ষণসমূহ থাকলে ধরে নেওয়া হয় শিশুটি "No sign of dehydration" অবস্থায় আছে।
- রোগীর মলত্যাগের ফ্রিকোয়েন্সি, রক্ত বা শ্লেষ্মা উপস্থিতি, ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা।
- ডায়রিয়া রোগীর ডিহাইড্রেশন এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা দূর করতে ডিহাইড্রেশনের লেভেল অনুযায়ী নির্দেশিত হিসাবে ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ওআরএস) দেয়া।
- নো সাইন অফ ডিহাইড্রেশন এর ক্ষেত্রে রোগীকে ১০ মিলিলিটার/কেজি ওজন হিসাবে প্রত্যেক বার পায়খানা করার পর ওআরএস দিতে হবে।
- প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর তার পরিমান অনুমান করে খাবার স্যালাইন দিতে হবে।
- দিনে ১ বার জিংক (২০ মিলিগ্রাম) ট্যাবলেট দিতে হবে এতে ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ২৫% এবং পায়খানার পরিমাণ ৩০% হ্রাস করে।
- ORS ছাড়াও শিশুকে অতিরিক্ত পানি, স্যুপ, ডাবের পানি, লেবুর শরবত ইত্যাদি দেয়া।
- ডায়রিয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তরল ও খাবার চালিয়ে যাওয়া।
- কত বার পায়খানা করে এবং কি পরিমান রিহাইড্রেশন সলিউশন দেয়া হয়েছে তার সঠিক পরিমান চার্টে লিপিবদ্ধ করা।
- স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো চালিয়ে যাওয়া। বুকের দুধ, হালকা খাবার যেমন ভাত, ডাল, আলু, খিচুড়ি, কলা, স্যুপ, দই ইত্যাদি। বুকের দুধ অপুষ্টি ও ডায়রিয়ার ভয়াবহতা কমিয়ে দিতে পারে।
- যেসব খাবার ডায়রিয়া বাড়াতে পারে যেমন তৈলাক্ত খাবার না দেয়া।
- সংক্রামক এজেন্টের বিস্তার কমাতে হাতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।
- মল বা নোংরা পদার্থের যথাযথ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা।
- বারবার মল ত্যাগ করার কারণে ত্বক লাল, জ্বালা-পোড়া এবং ঘাঁ হতে পারে। তাই পেরিনিয়াল এরিয়ায় ক্রিম বা মলম ব্যবহার করা এবং ত্বক পরিষ্কার এবং শুদ্ধ রাখা।
- রোগীকে হাইড্রেশনের গুরুত্ব, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা এবং নির্ধারিত চিকিৎসা পরিকল্পনা মেনে চলার বিষয়ে স্বাস্থ্যশিক্ষা দেয়া।
- খাবার তৈরি করার আগে এবং পরে হাত ভালভাবে ধুয়ে নেয়া, টয়লেট করার পর সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা।
- যদি শিশুর- তীব্র পিপাসা বা পানি খেতে না চায়, চোখ ঢুকে যায়, ত্বক টান দিলে ধীরে ফিরে আসে, প্রস্রাব কমে যায়, রক্তযুক্ত পায়খানা হয়, তাহলে শিশুকে হাসপাতালে নিতে হবে।
ICU হলো একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল ইউনিট যেখানে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ ও উচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখানে রোগীর জীবন রক্ষার জন্য দ্রুত, সঠিক ও দক্ষ সেবা প্রদানে নার্স ও মিডওয়াইফদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-
- ভাইটাল সাইন পর্যবেক্ষণঃ রোগীর শরীরের তাপমাত্রা, নাড়ি, রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস, অক্সিজেন স্যাচুরেশন নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করে রেকর্ড রাখতে হয়। যেকোনো পরিবর্তন হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া।
- শ্বাসনালী ওপেন ও অক্সিজেন থেরাপিঃ রোগীর শ্বাসনালী খোলা রাখা, অক্সিজেন দেওয়া, সাকশন করা, এবং প্রয়োজনে ভেন্টিলেটর মেশিন পরিচালনা করা। শ্বাসকষ্ট হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া।
- জরুরি ওষুধ ও ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড দেয়াঃ চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ইনজেকশন, ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড, ওষুধ ও জরুরি ইনজেকশন (যেমন adrenaline, dopamine ইত্যাদি) সঠিকভাবে প্রয়োগ করা।
- ইনফেকশন কন্ট্রোলঃ হাত ধোয়া, জীবাণুমুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহার, ড্রেসিং পরিবর্তন, ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সতর্ক থাকা। এটি ICU-তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রোগীর যত্ন ও মানসিক সাপোর্টঃ রোগীর আরাম নিশ্চিত করা (যেমন: মুখ পরিষ্কার, অবস্থান পরিবর্তন, ত্বক পরিচর্যা), পরিবারকে সান্ত্বনা ও মানসিক সহায়তা দেওয়া, এবং রোগীর গোপনীয়তা বজায় রাখা।
Group - B
Warning signs হলো গর্ভাবস্থায় এমন কিছু শারীরিক বা মানসিক পরিবর্তন যা মায়ের বা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক বা বিপদজনক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
- যোনিপথ দিয়ে সামান্য বা বেশি রক্তপাত, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, অ্যাবরাপসিও প্লাসেন্টা
- তীব্র মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা বা চোখে আলো ঝলকানি উচ্চ রক্তচাপ, প্রি- এক্ল্যামসিয়া
- জ্বর ও ঠান্ডা লাগা (সংক্রমণ)
- হাত-পা বা মুখ ফুলে যাওয়া।
- পেটে তীব্র ব্যথা
- সাদা বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব
- বাচ্চার নড়াচড়া বন্ধ বা কমে যাওয়া (fetal distress)।
- তীব্র বা দীর্ঘ সময় ধরে বমি (Hyperemesis gravidarum)
- শ্বাসকষ্ট হওয়া
- পানি বের হয়ে যাওয়া (premature labor)
উপরের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে- মা'কে অবিলম্বে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
"সিজারিয়ান সেকশন" একটি সার্জিক্যাল প্রসিডিউর যার জন্য নির্দিষ্ট এবং স্টেরাইল যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। নিচে একটি সিজারিয়ান সেকশনের জন্য অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতির টেবিলে (ইনস্ট্রুমেন্ট ট্রে) কী কী যন্ত্রপাতি ক্রমান্বয়ে সাজাতে হয় তার একটি তালিকা দেওয়া হলো।
- 120ml Gallipot- 1
- Back Table Cover 150x190cm- 2
- Basin Emesis 700ml- 2
- Bowl 250ml- 1
- BP Handle No.4- 2
- Diathermy Quiver - PP grade- 1
- Doyen Retractor 27cm- 1
- Artery Forceps - curved- 5
- Forceps Green Armitage- 4
- Artery Forceps - straight- 5
- Instrument Pin- 2
- Kocher Artery Forceps - curved- 2
- Kocher Artery Forceps - straight- 2
- Mayo Scissors 16cm- 1
- Mayo Scissors 17cm curved- 1
- Ramsey Dissecting Forceps - non-toothed- 2
- Ramsey Dissecting Forceps - toothed- 2
- Retractor Langenbeck - Large- 1
- Needle Holder 20cm- 2
- Towel Clamp 10cm- 1
- Wire Basket- 1
- Wrigley Forceps- 1
Communication (যোগাযোগ): Communication হচ্ছে তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির সাথে ভাব, মতামত ও অনুভূতি বিনিময় করে।
১. যোগাযোগ হ'ল এমন একটি পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া যেখানে কথা, সংকেত, চিহ্ন বা আচরণের মাধ্যমে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করা হয়。
২. Communication হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার চিন্তা, ধারণা, অনুভূতি বা তথ্য অন্যের সাথে বিনিময় করে যাতে উভয়েই একে অপরকে বুঝতে পারে।
৩. Communication is a process by which information is exchanged between individuals through a common system of symbols, signs, or behavior
১. দিক অনুসারে (Based on Direction):
১. একতরফা যোগাযোগ (One-way communication) শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি কথা বলে, অন্যরা শোনে। যেমন: রেডিও, টেলিভিশন।
২. দ্বিমুখী যোগাযোগ (Two-way communication) উভয় পক্ষই কথা বলে ও প্রতিক্রিয়া দেয়। যেমন: শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে আলোচনা।
২. মাধ্যম অনুসারে (Based on Medium):
১. মৌখিক যোগাযোগ (Verbal) কথা বা ভাষার মাধ্যমে তথ্য বিনিময়। যেমন: কথা বলা, বক্তৃতা, আলোচনা।
২. অমৌখিক যোগাযোগ (Non-verbal) শব্দ ছাড়া দেহভঙ্গি, মুখের অভিব্যক্তি, অঙ্গভঙ্গি দ্বারা যোগাযোগ। যেমন: হাসি, মাথা নাড়ানো।
৩. লিখিত যোগাযোগ (Written communication) লেখা, চিঠি, ই-মেইল, রিপোর্ট ইত্যাদির মাধ্যমে তথ্য বিনিময়।
৩. সংগঠন অনুসারে (Based on Organization Level):
১. আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ (Formal communication) অফিস বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী আদান-প্রদান। যেমন: অফিসিয়াল চিঠি, রিপোর্ট।
২. অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ (Informal communication) বন্ধুত্বপূর্ণ বা ব্যক্তিগত আলাপচারিতা। যেমন: সহকর্মীদের মাঝে আলোচনা।
৪. অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনুযায়ী (Based on number of participants):
১. স্ব-আন্তঃযোগাযোগ (Intrapersonal Communication) একজন ব্যক্তি নিজের সঙ্গে নিজের ভাবনা, অনুভূতি বা চিন্তা বিনিময় করে।
২. ব্যক্তি-ব্যক্তি যোগাযোগ (Interpersonal Communication) দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে সরাসরি তথ্য, অনুভূতি বা মতামত বিনিময়।
৩. দলগত যোগাযোগ (Group Communication) তিন বা তার বেশি ব্যক্তি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে একত্রে আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নেয়।
- শারীরিক প্রতিবন্ধকতা (Physiological barrier) দৃষ্টি বা শ্রবণ প্রতিবন্ধকতা, অসুস্থতা ইত্যাদি কারণে যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হয়।
- ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা (Language barrier) বক্তা ও শ্রোতার ভাষা ভিন্ন হলে বার্তা সঠিকভাবে বোঝা যায় না।
- মানসিক প্রতিবন্ধকতা (Psychological barrier) ভয়, উদ্বেগ, রাগ বা আত্মবিশ্বাসের অভাব যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করে।
- ভৌত প্রতিবন্ধকতা (Physical barrier) শব্দ, দূরত্ব, দুর্বল শ্রবণশক্তি বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়।
- সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতা (Cultural barrier) ভিন্ন সংস্কৃতি, রীতি-নীতি বা বিশ্বাসের কারণে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।
২ বছর বয়সী শিশুর জন্য উপযুক্ত IV Cannula:
২ বছর বয়সী শিশুর জন্য সাধারণত 22G বা 24G Cannula সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়।
| Cannula Size | রঙ | ব্যবহারের উদ্দেশ্য |
|---|---|---|
| 24G | হলুদ | শিরা খুব সরু হলে- ওষুধ বা স্যালাইন ধীরে প্রবাহের জন্য |
| 22G | নীল | শিরা একটু মোটা হলে তরল, ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক বা স্যালাইন প্রবাহের জন্য |
| অসুবিধার নাম | বর্ণনা |
|---|---|
| হালকা জ্বর | টিকার প্রতিক্রিয়ায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়, ফলে ১-২ দিন হালকা জ্বর হতে পারে। এটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। |
| ইনজেকশন স্থানে ব্যথা, ফোলা, গরম বা লালচে ভাব ইত্যাদি | ইনজেকশন দেওয়া স্থানে সামান্য লালচে ভাব, ব্যথা বা শক্ত গাঁট দেখা দিতে পারে, বিসিজি টিকার জন্য দানা বা ক্ষত তৈরি হতে পারে যা সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায়। শিশুকে বার বার মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। |
| অলসতা বা ঘুম ঘুম ভাব | টিকা নেওয়ার পর শিশুটি কিছুটা ক্লান্ত বা ঘুমঘুম অনুভব করতে পারে। |
| ক্ষুধামন্দা, ওজন হ্রাস পাওয়া | টিকা দেওয়ার পর ১-২ দিন শিশুর খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়, এটি একটি সাময়িক সমস্যা। এ সময় শিশুকে বার বার মায়ের দুধ / অন্যান্য খাবার খাওয়াতে হবে। |
| অতিরিক্ত কান্না বা অস্থিরতা | ইনজেকশনজনিত ব্যথা বা শরীরে হালকা অস্বস্তির কারণে শিশু বেশি কান্না করতে পারে। |
